খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত ‘মরিয়া’ প্রমাণ করেছে, তারা ভারতের লোক: সালাহউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত ‘মরিয়া’ প্রমাণ করেছে, তারা ভারতের লোক: সালাহউদ্দিন

আওয়ামী লীগকে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ভারতে আশ্রয় নিয়ে আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত ‘মরিয়া’ প্রমাণ করেছে, তারা ভারতের লোক।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জুলাই আপ্রাইজিং অ্যান্ড রিউমার ইন পলিটিকস’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলে সালাহউদ্দিন আহমদ। বাংলাদেশ সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যানালাইসিস নামের একটি প্ল্যাটফর্ম এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

কোনো অবস্থায়ই যেন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান না হয়, সে আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত মরিয়া প্রমাণ করিল, তারা ভারতের লোক। কারণ, তারা (দেশকে) ভারতের করদরাজ্য বানানোর জন্য এখানে অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা জায়গায় তারা সফল হয়েছে যে নিজে অন্তত আশ্রয়টা পেয়েছে, এইটুকু।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের মহাসমাবেশের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কেউ কেউ বলছে, আমাদের কেউ কেন যায়নি। আমাদের দাওয়াতই দেয়নি, যাব কীভাবে! দাওয়াত দিলেই যে যেতে পারত, এমনও তো না। সবকিছুতেই ব্লেম (দোষারোপ) করা।’

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই নেতা বলেন, ‘সংস্কার কেন হচ্ছে না, এ জন্যও বিএনপিকে দায়ী করা হচ্ছে। আমি প্রতিনিয়ত মিডিয়াতে বলছি যে সংস্কারের যখন কেউ “স” উচ্চারণ করেনি, তখন আমরা সংস্কারের প্রস্তাবনা দিয়েছি আরও দুই বছর আগে। এই সরকারের দায়িত্ব নেওয়ারও এক বছর আগে।

এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে যারা পলুটেড (কালিমালিপ্ত) করে বা গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে অপমানিত করে যারা বাংলাদেশে বিভিন্ন রকমের অপপ্রচার করছে, এর শেষ কী? এর শেষ হচ্ছে, আমরা আমাদের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের ইতিহাসকে অপমান করছি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখন আমরা গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো বিভক্ত হয়ে পড়ছি। এখনো নির্বাচনের দিন-তারিখ ঘোষণা হয়নি। এখনো নির্বাচন কমিশনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় কোনো নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই। সেই অবস্থার মধ্যেই সবাই পিআর পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) বলে চিল্লাচ্ছে। আজকেও পিআর পিআর করে মহাসমাবেশ একটা করছে।’

এ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমরা এখনো ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) টিপ দেওয়াটা শেখাতে পারিনি, এখন আমরা আছি পিআর নিয়ে। এখানে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনে যে যার ভাগ-বাঁটোয়ারা পাবে, এ নিয়ে ব্যস্ত আছে। কিন্তু গণতন্ত্রের কী অবস্থা হবে, কোনো দল সরকার গঠন করার মতো মেজরিটি (সংখ্যাগরিষ্ঠতা) পাবে কি না এবং তাহলে অস্থিতিশীল একটা ঝুলন্ত সংসদ হলে দেশের কী অবস্থা হবে, এসব কিছু তাদের মাথায় নেই। সারা দেশে সব মিলিয়ে তিন লাখ ভোট পেলে একটা সিট পাবে, এই চিন্তায় তারা আছে।’

রাজনৈতিক দলগুলোকে ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটা উন্নত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ সৃজন করার জন্য যে সংস্কারের মধ্য দিয়ে আমরা যেতে চাচ্ছি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করার জন্য আমাদের যে তাগিদ, এগুলো সবকিছু পূরণ করার জন্য আমাদের একটা দ্রুত নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দরকার।’

গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়াউদ্দীন হায়দার, আইনজীবী রাশনা ইমাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সালমা বেগম ও তানভীর হাসান জুয়েল, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলরের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম প্রমুখ।

ক্ষেতলালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
ক্ষেতলালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি র‌্যালি বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক সাজ্জাদ পারভেজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা চৌধুরী। এস এম মশিউর রহমান তুহিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ওসি (তদন্ত) এস এম কামাল হোসাইন, অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষক আজিজার রহমান, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও হোসনে আরা। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পাঁচজন অদম্য নারীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা।

জয়পুরহাটে যাত্রীকে বেধড়ক পেটালেন রেলের বুকিং সহকারী

মামুনুর রশীদ পান্না, অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
জয়পুরহাটে যাত্রীকে বেধড়ক পেটালেন রেলের বুকিং সহকারী

জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশনে আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ নামে এক যাত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে হেড বুকিং সহকারী মনিরুল করিম মুনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহা ব্যবস্থাপকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই যাত্রী। আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ জয়পুরহাট জেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক পাবনা যাওয়ার জন্য দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কাটতে জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টারে যান। সেখানে তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে দুইশো টাকা দেন। কাউন্টার থেকে তাকে খুচরা টাকা দিতে বলা হয়। কিন্তু আব্দুর রাজ্জাক খুচরা টাকা দিতে পারেননি। তখন হেড বুকিং সহকারী মনিরুল করিম ওই যাত্রী খুচরা টাকা আনার তাগিদ দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মনিরুল করিম কাউন্টার থেকে বাহিরে এসে যাত্রী আব্দুর রাজ্জাককে ধাক্কা মারেন এরপর দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এরপর মনিরুল করিম ওই যাত্রীকে টেনে-হেচড়ে স্টেশন মাস্টারের রুমে পরে কাউন্টার কক্ষের ভেতরে নিয়ে বিভিন্নভাবে কিল, ঘুষি মেরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এতে ওই যাত্রীর শার্ট ছিঁড়ে গেলে রেলওয়ের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে স্টেশন মাস্টারের রুমে নিয়ে আসেন। সেখানে মনিরুল করিম মুন ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান।

যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, স্টেশনে টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে স্টেশনের হেড বুকিং সহকারী মনিরুল করিম মুন আমাকে বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তারা এক লাইনে টিকিট না দিয়ে এক লাইন থেকে আরেক লাইনে ঘুরাঘুরি করাচ্ছিল। কাউন্টারের ভেতর থেকে এসে আমাকে টেনে অফিসের ঘরে নিয়ে গিয়ে বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন। শার্টও ছিড়ে গেছে। পরে সাংবাদিকরা আসলে তিনি ভুল করেছেন বলে ক্ষমা চান। সে স্থানীয় হওয়ায় দাম্ভিকতার সাথে ক্ষমতায় দেখায় যে, সে মানুষকে মানুষই মনে করেনা। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

ইদগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হলেন আশরাফুল হক আদনান।

অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
ইদগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হলেন আশরাফুল হক আদনান।

 

কক্সবাজারের ঈদগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ছাত্রনেতা আশরাফুল হক আদনান। সম্প্রতি উপজেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ পদে আশরাফুল হক আদনানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন দায়িত্ব পেয়ে আশরাফুল হক আদনান সংগঠনের প্রতি তাঁর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, “ছাত্রদলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি অনুগত থেকে ঈদগড় ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত করবো।”

দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদককে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।