খুঁজুন
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত ‘মরিয়া’ প্রমাণ করেছে, তারা ভারতের লোক: সালাহউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত ‘মরিয়া’ প্রমাণ করেছে, তারা ভারতের লোক: সালাহউদ্দিন

আওয়ামী লীগকে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ভারতে আশ্রয় নিয়ে আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত ‘মরিয়া’ প্রমাণ করেছে, তারা ভারতের লোক।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জুলাই আপ্রাইজিং অ্যান্ড রিউমার ইন পলিটিকস’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলে সালাহউদ্দিন আহমদ। বাংলাদেশ সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যানালাইসিস নামের একটি প্ল্যাটফর্ম এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

কোনো অবস্থায়ই যেন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান না হয়, সে আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত মরিয়া প্রমাণ করিল, তারা ভারতের লোক। কারণ, তারা (দেশকে) ভারতের করদরাজ্য বানানোর জন্য এখানে অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা জায়গায় তারা সফল হয়েছে যে নিজে অন্তত আশ্রয়টা পেয়েছে, এইটুকু।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের মহাসমাবেশের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কেউ কেউ বলছে, আমাদের কেউ কেন যায়নি। আমাদের দাওয়াতই দেয়নি, যাব কীভাবে! দাওয়াত দিলেই যে যেতে পারত, এমনও তো না। সবকিছুতেই ব্লেম (দোষারোপ) করা।’

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই নেতা বলেন, ‘সংস্কার কেন হচ্ছে না, এ জন্যও বিএনপিকে দায়ী করা হচ্ছে। আমি প্রতিনিয়ত মিডিয়াতে বলছি যে সংস্কারের যখন কেউ “স” উচ্চারণ করেনি, তখন আমরা সংস্কারের প্রস্তাবনা দিয়েছি আরও দুই বছর আগে। এই সরকারের দায়িত্ব নেওয়ারও এক বছর আগে।

এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে যারা পলুটেড (কালিমালিপ্ত) করে বা গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে অপমানিত করে যারা বাংলাদেশে বিভিন্ন রকমের অপপ্রচার করছে, এর শেষ কী? এর শেষ হচ্ছে, আমরা আমাদের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের ইতিহাসকে অপমান করছি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখন আমরা গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো বিভক্ত হয়ে পড়ছি। এখনো নির্বাচনের দিন-তারিখ ঘোষণা হয়নি। এখনো নির্বাচন কমিশনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় কোনো নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই। সেই অবস্থার মধ্যেই সবাই পিআর পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) বলে চিল্লাচ্ছে। আজকেও পিআর পিআর করে মহাসমাবেশ একটা করছে।’

এ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমরা এখনো ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) টিপ দেওয়াটা শেখাতে পারিনি, এখন আমরা আছি পিআর নিয়ে। এখানে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনে যে যার ভাগ-বাঁটোয়ারা পাবে, এ নিয়ে ব্যস্ত আছে। কিন্তু গণতন্ত্রের কী অবস্থা হবে, কোনো দল সরকার গঠন করার মতো মেজরিটি (সংখ্যাগরিষ্ঠতা) পাবে কি না এবং তাহলে অস্থিতিশীল একটা ঝুলন্ত সংসদ হলে দেশের কী অবস্থা হবে, এসব কিছু তাদের মাথায় নেই। সারা দেশে সব মিলিয়ে তিন লাখ ভোট পেলে একটা সিট পাবে, এই চিন্তায় তারা আছে।’

রাজনৈতিক দলগুলোকে ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটা উন্নত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ সৃজন করার জন্য যে সংস্কারের মধ্য দিয়ে আমরা যেতে চাচ্ছি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করার জন্য আমাদের যে তাগিদ, এগুলো সবকিছু পূরণ করার জন্য আমাদের একটা দ্রুত নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দরকার।’

গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়াউদ্দীন হায়দার, আইনজীবী রাশনা ইমাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সালমা বেগম ও তানভীর হাসান জুয়েল, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলরের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম প্রমুখ।

ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী খোকন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী খোকন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের, এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মাঝে চলছে জোর প্রচারণা। তারই ধারাবাহিকতায় ইউপি সদস্য পদে সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী হাওয়ার ঘোষণা দেন তরুণ ছাত্র ও যুবনেতা শহিদুল ইসলাম খোকন।

তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উওর হারবাং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তরুণরা ও সোশ্যাল মিডিয়া তাহার ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং মোটামুটি ভোটা’ও আছে,স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান, নির্বাচন ঘিরে তাদের প্রত্যাশা ও অনুভূতি আকাশছোঁয়া। সময় এখন বাংলাদেশের। সময় এখন তারুণ্যের। এই সময় শুধু নয়, ভবিষ্যতের সময়ও তারুণ্যের। ভবিষ্যতের বাংলাদেশও তরুণদের জন্যই। আর তারুণ্যের উপযোগী বর্তমান বিনির্মাণ করা গেলেই কেবল- ভবিষ্যত হবে বাংলাদেশের। তাই উত্তর হারবাং ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে তরুণ প্রার্থীকেই দেখতে চায়।

শহিদুল ইসলাম খোকন বলেন, আমি এলাকার জনগণের সুখে দুঃখে কাজ করে যাব এবং উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করবো। দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাসসহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ওয়ার্ডের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলার চেষ্টা করবো।

জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক ডিসি আব্দুল বারীর পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ শেষে বিকেলে ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সকাল ৯টা থেকেই আব্দুল বারী বড়াইল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যান এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এসময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। ​বিকেল ৪টায় ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী বলেন, “দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে আপনারা দুঃশাসনের জবাব দেবে।

​ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা যুদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি ​ওবায়দুর রহমান সুইট, ​পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম, ​সাধারণ সম্পাদক নাফেউল হাদী মিঠু, যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান, ​সাবেক ছাত্রনেতা রানা তালুকদার সহ স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এসময় ​বক্তারা বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে জনতা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জনরায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিজিটাল যোগাযোগের নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল। ‘জনগণের সেবা উন্নয়নের পথে’ প্রতিপাদ্যে তিনি চালু করেছেন নিজস্ব ওয়েবসাইট **www.kazalbnp.com**। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং মতামত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজার শহরের নিরিবিলি অর্কিডের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করে কক্সবাজার-৩ আসনের ভোটারসহ যে কেউ লুৎফুর রহমান কাজলকে সরাসরি পরামর্শ দিতে পারবেন। এজন্য আলাদা একটি সেকশন রাখা হয়েছে, যেখানে উন্নয়ন পরিকল্পনা, নাগরিক সমস্যা কিংবা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া যাবে। প্রার্থী হিসেবে জনগণের কথা শোনা এবং সেই মতামতকে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন কাজল।

ওয়েবসাইটে আরও রয়েছে লুৎফুর রহমান কাজলের বিস্তারিত জীবনী, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সংসদ সদস্য থাকাকালীন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তথ্য এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত বিবরণ। এতে করে ভোটাররা একজন প্রার্থী হিসেবে তাঁর অতীত ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “রাজনীতি মানে শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাওয়া নয়। রাজনীতি মানে জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সংযোগ রাখা। এই ওয়েবসাইট সেই যোগাযোগের একটি মাধ্যম। মানুষ এখানে তাদের কথা বলবে, সমস্যা জানাবে, পরামর্শ দেবে—আমরা সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।” তিনি আরও বলেন, আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনীতিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

বিএনপির স্থানীয় নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এবারই প্রথম কোনো প্রার্থী নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন। এতে করে তরুণ ভোটার ও প্রবাসী ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে বলে তারা আশা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল নিজেকে অন্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করে উপস্থাপন করছেন। এটি শুধু নির্বাচনী প্রচার নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, লুৎফুর রহমান কাজল ২০০৮ সালে কক্সবাজার-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি সড়ক, শিক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেন তাঁর সমর্থকরা। আসন্ন নির্বাচনে আবারও তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সব মিলিয়ে, নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল কক্সবাজার-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতামত গ্রহণ এবং উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরার এই উদ্যোগ নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে।