খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ২ আষাঢ়, ১৪৩৩

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার রোডম্যাপ কেমন হবে

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার রোডম্যাপ কেমন হবে

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার রোডম্যাপ কেমন হবে

কয়েক বছর আগে নির্বাচনী আচরণ এবং প্রচারণা নিয়ে একটি গবেষণা করেছিলাম। উক্ত গবেষণাপত্রটি উপস্থাপনের জন্য তুরস্ক গেলাম। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচন, রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের আদ্যোপান্ত নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হয়।

বিভিন্ন দেশ থেকে আসা গবেষকগণ তাদের গবেষণাপত্রে বিশ্বব্যাপী নির্বাচন ও রাজনীতির গতি-প্রকৃতি তুলে ধরেন। সেখানে লক্ষ করা যায় যে, সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোয় নির্বাচনের ধরন ও প্রক্রিয়া রাজনীতির গতিপ্রকৃতির ওপর প্রভাব বিস্তার করে। এমনকি ওইসব গবেষণাপত্রে নির্বাচন ও গণতন্ত্রে অর্থের প্রভাব এবং এ বিষয়ে সহিংসতা সৃষ্টি ও আস্থা-অনাস্থার তথ্য উঠে আসে।

উল্লিখিত সম্মেলনে পরিষ্কারভাবে একটি সংশ্লেষণ তৈরি হয় যে নির্বাচনের সাথে সেই দেশের রাজনীতি এবং সহিংসতার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এবং সেটি গোটা বিশ্বব্যাপী।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র এবং নির্বাচন খুব বেশি আলোচিত শব্দযুগল। যেকোনো দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার ধরন এবং প্রকৃতি রাজনীতির গতি নির্ধারণ করে থাকে। এক কথায় বলা যায়, নির্বাচন রাজনীতিকে প্রভাবিত করে। নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ এবং হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড যেন অঙ্গাঙ্গি বিষয় হয়েও দাঁড়িয়েছে গোট বিশ্বব্যাপী।

এ প্রসঙ্গে সারা বিশ্বের চিত্র প্রায় কাছাকাছি এবং অনেকটা একই। এই কর্মকাণ্ড যখন ভয়ঙ্কর পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে তখন আমরা শঙ্কিত হয়ে উঠছি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন দল যদি মনে করে নিয়ন্ত্রণহীন সুষ্ঠু নির্বাচনে তাদের পরাজিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তখন তারা প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে নানা অজুহাতে সংঘর্ষ ও সংঘাত সৃষ্টি করে ভীতির রাজ্য স্থাপন করার চেষ্টা করছে—এমন অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। এর সাথে তারা তৈরি করে বেশকিছু আইন-কানুন যা দিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা যায়।

বিশ্বের বহু দেশে নির্বাচনী সংস্কার হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো বারবার কমিটমেন্ট করছে—নির্বাচনকে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার বিষয়ে। তারপরও কোনো না কোনোভাবে নির্বাচন প্রভাবিত হচ্ছে এবং প্রশ্নবিদ্ধও হয়েছে। বর্তমান সময়ে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কতটুকু ভূমিকা রাখছে—সেটি এখন অধিকভাবে ভেবে দেখার সময় এসেছে।

২০১২ সালে কেনেথ পি ভোগেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে ‘দ্য বিগ মানি’ শিরোনামে একটি বই লিখেছেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেসিকে ডলারোক্রেসি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। মূলত তিনি সেখানে বোঝাতে চেয়েছেন, তাদের নির্বাচনে ফান্ড তৈরি এবং নির্বাচনী ফলাফল নির্ধারণে ডলারের ভূমিকা অনেক বেশি।

…যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেসিকে ডলারোক্রেসি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। মূলত তিনি সেখানে বোঝাতে চেয়েছেন, তাদের নির্বাচনে ফান্ড তৈরি এবং নির্বাচনী ফলাফল নির্ধারণে ডলারের ভূমিকা অনেক বেশি।

আমরা জানি কয়দিন পরেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এ উপলক্ষে সেপ্টেম্বর থেকেই বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আগে থেকেই চলছিল ভোট গ্রহণ। এতে অনেক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ওরেগন ও ওয়াশিংটনে দুটি ব্যালট বাক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েক’শ কাস্ট করা ভোট নষ্ট হয়ে গেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এফবিআই এই দুটি ঘটনাকে পরস্পর যুক্ত বলে মনে করছে।

ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ক্লার্ক কাউন্টির নির্বাচিত নিরীক্ষক গ্রেগ কিমসি বলেন, এটা হৃদয়বিদারক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, এটি গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত। ব্যালট ড্রপ বাক্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনার সমালোচনা এখন দেশজুড়ে। রিপাবলিকরা সমালোচনায় এগিয়ে। এ নিয়ে তারা আগের এক ষড়যন্ত্র তত্ত্ব সামনে আনছেন।

২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। যেসব দেশ গণতন্ত্রের রোল মডেল, যারা গণতন্ত্র পর্যবেক্ষণ করে, সেসব দেশেও কারচুপির প্রশ্ন ওঠে। আবার যারা গণতন্ত্রের সূচকে সর্বোচ্চ স্কোর অর্জন করে, তাদের নির্বাচনেও টুকটাক ব্যত্যয়ের ঘটনা রয়েছে। এজন্য নির্বাচনী গণতন্ত্র এমন এক প্রক্রিয়া যা হাতে নাতে কখনো ধরা যায় না।

বিশ্বব্যাপী রাজনীতি বিজ্ঞান ক্রমেই জটিল হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তর হোমওয়ার্ক প্রয়োজন। মিডিয়া আগের চেয়ে অনেকটাই সক্রিয়। রাজনীতির সবটাই দেখছে এখন মিডিয়া। শাসক-বিরোধীর লড়াইটা কিংবা কোন রাজনীতিক হাতে কোন ব্র্যান্ডের ঘড়ি পরছেন—সবটাই দেখছে মিডিয়া এবং তা প্রচার করছে। তাই রাজনীতির হিসাবটা আরও কঠিন হয়েছে।

অতীত-বর্তমান ঘেঁটে বের করে আনতে হয় বিরোধী পক্ষের দুর্বল জায়গা। তারপর প্রস্তুতি নিয়ে আঘাত করতে হয় সেখানে। অক্লান্ত প্রক্রিয়া-থেমে থাকার পথ নেই। একজন যে রাজনৈতিক ক্রিয়া করবে, অন্যজন ঠিক তার বিপরীত প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখবে। কারণ ক্রিয়ার পরেই প্রতিক্রিয়ার উদ্ভব হবে।

তারপরও আমরা প্রত্যাশা করি বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো তাদের নির্বাচনী গণতন্ত্রের চর্চায় এগিয়ে যাবে সমানে। সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড—সবগুলোই জনসংখ্যার দিক থেকে ছোট ছোট দেশ। সেখানে একাধিক রাজনৈতিক দল সক্রিয়। তাদের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

সুইডেনের মতো দেশের গণতান্ত্রিক নীতিমালা অনুসরণ করলে যেকোনো দেশেই গণতন্ত্র কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছানোর রাস্তায় উঠতে পারে—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সুইডেনের গণতান্ত্রিক কাঠামোটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্রের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেখানে কার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্র বিদ্যমান। সেখানে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র চালু আছে।

বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। কোনো দলকে সংসদে প্রবেশ করতে হলে জাতীয়ভাবে কমপক্ষে ৪ শতাংশ ভোট পেতে হয়, অথবা কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ১২ শতাংশ ভোট পেলেই তারা সংসদে প্রবেশ করতে পারে। সুইডেনের রাজা রাষ্ট্রপ্রধান হলেও তার হাতে কার্যত কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতা নেই।

বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার লড়াইয়ে ডেমোক্রেট প্রার্থী হিসেবে হিলারি ক্লিনটেনর কাছে বিজয়ী হয়েছিলেন। পরবর্তীতে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হয়ে হিলারিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। অথচ প্রাথমিক নির্বাচনে দু’জনই দু’জনের সমালোচনায় ব্যস্ত ছিলেন।

প্রকৃত ক্ষমতা সংসদ এবং সরকারের মধ্যে বিভক্ত। সরকারের প্রধান হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যিনি সংসদের সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্যরা আইন প্রণয়ন ও সরকারের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করেন। শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো সুইডেনকে একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ দিয়েছে।

তবে এই পরিবেশ সৃষ্টির মূল কারণ হলো সেখানে নাগরিকরা অতিমাত্রায় সচেতন এবং বিবেকবোধ সম্পন্ন। তারা কেবল আইনের মাধ্যমে নয়, নিজেদের নৈতিক চিন্তা ও বিবেক থেকে স্বাধীন ও যৌক্তিক ভূমিকা পালন করতে অভ্যস্ত।

অনেক সময় আমরা দুঃখ পাই, বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা একে অপরে কাদা ছোড়াছুড়ি করে। কিন্তু মজার বিষয় হলো—এমন পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা বিশ্বব্যাপীই এ প্রক্রিয়া দৃশ্যমান। তাহলে আপনারাই বলুন, আইন করে কি এই কাদা ছোড়াছুড়ি রোধ করা যাবে? কখনোই নয়।

আমাদের নিজেদের বিবেক এবং চিন্তা যদি পরিশীলিত বা মার্জিত না হয় তাহলে কোনোভাবেই ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হবে না। আমরা অবাক হই যখন দেখি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরা কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন। আবার তাদের সহনশীল মানসিকতাও আমাদের অবাক করে। কারণ তাদের পারস্পরিক সহিষ্ণুতা যথেষ্ট যৌক্তিক পর্যায়ের।

তারা ব্যক্তিগত জীবনের রহস্য এবং গোপন জায়গায়ও আঘাত করতে দ্বিধা বোধ করেন না। তারপরও আমরা সেখান থেকে প্রত্যাশা করি একটি সহনশীল এবং গ্রহণযোগ্য মাত্রার রাজনীতি। আমরা সেখানে লক্ষ করে দেখি প্রাথমিক নির্বাচনে কে প্রার্থী হবেন, সেই লড়াইয়ে নিজের দলের ভেতরে যে গণতন্ত্র চর্চা এবং গণতান্ত্রিক মানসিকতার চর্চা দেখা যায় সেটি অনুকরণীয় কিংবা অনুসরণীয়।

আমরা দেখেছিলাম বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার লড়াইয়ে ডেমোক্রেট প্রার্থী হিসেবে হিলারি ক্লিনটেনর কাছে বিজয়ী হয়েছিলেন। পরবর্তীতে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হয়ে হিলারিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। অথচ প্রাথমিক নির্বাচনে দু’জনই দু’জনের সমালোচনায় ব্যস্ত ছিলেন। তারপরও বারাক ওবামার এমন উদার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক বিশ্বে মডেল হতে পারে।

কাজেই আমরা বাংলাদেশে যে কাঠামেই পছন্দ করি না কেন কিংবা যেমন আইনই তৈরি করি না কেন, অথবা যেমন সংস্কারই হোক না কেন, এগুলো বাস্তবায়নের মূলে রয়েছে নাগরিক এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মানসিকতার পরিবর্তন। মানসিকতা পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই একটি গ্রহণযোগ্য মানের উদার নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।

ড. সুলতান মাহমুদ রানা ।। অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ঈদগড়-বাইশারী ডাকাতি ও অপহরণমুক্ত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন যুবদল নেতা নুরুল আজিম পবন

অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
ঈদগড়-বাইশারী ডাকাতি ও অপহরণমুক্ত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন যুবদল নেতা নুরুল আজিম পবন

বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের ঐতিহাসিক কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে ঈদগড়বাসীর পক্ষ থেকে জীবনের নিরাপত্তা ও নিরাপদ সড়কের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

সফরসূচী অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে ঘিরে পুরো জেলায় যে অভূতপূর্ব জাগরণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় ঈদগড়-বাইশারী সড়কের দীর্ঘদিনের চরম ভোগান্তি ও নিরাপত্তা সংকটের বিষয়টি সরকারের নীতি নির্ধারণী মহলে বিবেচনার জন্য তুলে ধরেছেন রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও তরুণ যুবনেতা নুরুল আজিম পবন। এক বিবৃতিতে তিনি ঈদগড়বাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই আঞ্চলিক সড়কটিকে অপরাধমুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

যুবদল নেতা নুরুল আজিম পবন তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ঈদগড়-বাইশারী সড়কটি এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলেও দীর্ঘদিন ধরে এটি এক চরম আতঙ্ক ও মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়কে প্রতিনিয়ত অভিনব কায়দায় ডাকাতি এবং নিরীহ পথচারী ও ব্যবসায়ীদের অপহরণের মতো ভয়াবহ অপরাধের ঘটনা ঘটছে, যার কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও চালকেরা সবসময় চরম জীবনঝুঁকি ও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে যাতায়াত করেন। এই অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং মানুষের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে সড়কটিকে সম্পূর্ণ ডাকাতি ও অপহরণমুক্ত করে একটি নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবিতে পরিণত হয়েছে। পরিশেষে, যুবনেতা নুরুল আজিম পবন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তৃণমূল মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার অতন্দ্র প্রহরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক সফরের মধ্য দিয়ে ঈদগড়বাসীর এই দীর্ঘদিনের কান্না ও প্রাণের দাবিটি পূরণ হবে এবং এই সড়কে চিরতরে অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

ঈদগড় ইউনিয়ন যুবদল সৌদি আরব শাখার সভাপতি জামশেদ খাঁন আগামী ১০শে এপ্রিল দেশে ফিরবেন।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
ঈদগড় ইউনিয়ন যুবদল সৌদি আরব শাখার সভাপতি জামশেদ খাঁন আগামী ১০শে এপ্রিল দেশে ফিরবেন।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার ১নং ঈদগড় ইউনিয়নের সাবেক সুপরিচিত ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও বর্তমান ঈদগড় ইউনিয়ন যুবদল সৌদি আরব শাখাঁর সভাপতি, মানবিক সমাজসেবক, জামশেদ খাঁন আগামী ১০ এপ্রিল (শুক্রবার) জন্মভূমি ঈদগড় আসবেন।

জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছরের প্রবাস জীবন থেকে এই প্রথম বার তিনি, ঈদগড় আসছেন। জামশেদ খান, অসহায় মানুষ, অসুস্থ মানুষ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নানা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজেকে জড়িত রেখেছেন।

জামশেদ খান জানান, তিনি সহিসালামত বাংলাদেশের মাটি তথা ঈদগড়ে সুস্থভাবে আসতে পারেন তার জন্য সকলের কাছে বিশেষ দোয়া চেয়েছেন।

জামশেদ খান বলেন, আমি আজীবন মানুষের পাশে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। যেটা আমার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমার এই স্বপ্নকে পূরণ করুক এই প্রত্যাশা রইল। পরিশেষে বলবো, আমি দেশ ও দেশের মানুষের পাশে থেকে সেবা করতে চাই।

ঈদগড় ইউনিয়ন সৌদি প্রবাসী যুবদলের সভাপতি জামশেদ খাঁনের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
ঈদগড় ইউনিয়ন সৌদি প্রবাসী যুবদলের সভাপতি জামশেদ খাঁনের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে, ঈদগড় ইউনিয়নের সকল স্তরের মানুষ ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ঈদগড় ইউনিয়ন সৌদি প্রবাসী যুবদলের সভাপতি জামশেদ খাঁন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় জামশেদ খাঁন বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও ত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ হচ্ছে আনন্দ, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ঈদ মুসলিম উম্মাহর মাঝে ঐক্য ও সৌহার্দ্য বয়ে আনবে এবং সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে একসাথে মিলে মিশে থাকার শিক্ষা দেবে।

যুবদলের এই নেতা আরও বলেন, ঈদের এই আনন্দ শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে এই আনন্দকে ভাগ করে নেওয়ার আহবান জানান তিনি।

পরিশেষে তিনি যুবদলের পক্ষ থেকে সবাইকে জানান, “আমরা সবার সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন এবং আগামীর পথে সহায়তা করুন। সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক