খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

সরকারের ভুল সিদ্ধান্তে দেশে ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তে দেশে ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে: তারেক রহমান

শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী অপশক্তি রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ নিতে ওত পেতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারের যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তে দেশে গণতন্ত্রে উত্তরণের যাত্রাপথকে সংকটে ফেলে দিতে পারে। দেশে ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ, চরমপন্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। কাজেই এ ব্যাপারে সবাইকে বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

ঢাকার সাভারে শ্রমিক-ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ এ ‘নারকীয় আশুলিয়া স্মরণে’ আয়োজিত বিএনপির সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার বিকেলে সমাবেশে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সমাবেশে বলেন, জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে এই সাভার–আশুলিয়ায় শ্রমিকদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়েছে। হত্যা করে শ্রমিকদের লাশগুলোকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। লাশের সঙ্গে এমন বর্বরতা, লাশের সঙ্গে এমন নির্মমতা, মনে হয় কারবালার নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে। ৫ আগস্টে ফ্যাসিস্টের পতনের দিন, সাভার আশুলিয়ায় গণহত্যা চলেছিল, মানুষের ওপর গণহত্যা চলেছিল।

জনগণ একটি ইনসাফভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে, আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ হটিয়ে রাষ্ট্র রাজনীতিতে জনগণের অধিকার, আইনের অধিকার প্রতিষ্ঠার আশায়, নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আশায় তাঁরা (শহিদেরা) আত্মত্যাগ করেছেন। আজ যদি শ্রমজীবী, কর্মজীবী মানুষ জানতে চায়, সেই শহীদদের আত্মা যদি জানতে চায়, গণ–অভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি শ্রমজীবী মানুষ শাহাদাত বরণ করেছে; কিন্তু বর্তমানে সরকারে ও প্রশাসনে শ্রমজীবী কর্মজীবী মানুষের অবস্থান কি? পলাতক ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের যে কর্মযজ্ঞ চলছে, সেখানেই বা তাদের প্রতিনিধিত্ব কোথায়?

তারেক রহমান বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে, একজন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি একজন নাগরিকের রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের অন্যতম প্রধান উপাদান হচ্ছে নির্বাচন। প্রতিটি নাগরিক যাতে নিজের কথা নিজে বলতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করার স্বার্থে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি একটি অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিকে অগ্রাধিকার দেয়। স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন প্রতিটি স্তরে জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নিজের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পেলে রাষ্ট্র ও সরকারে জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। শিক্ষাঙ্গন, স্থানীয় সরকার কিংবা জাতীয় সরকার—প্রতিটি ক্ষেত্রে বিএনপি জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার পক্ষে। কিন্তু এসব নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার অগ্রাধিকার নির্ধারণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পারছে কি না, এটি একটি বিরাট প্রশ্ন এই মুহূর্তে জনগণের সামনে।

শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনাদের সন্তান, স্বজনের মৃত্যু দেশ এবং জনগণকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে। দেশ আপনার শহীদ সন্তানের কাছে ঋণী, প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে রাষ্ট্র এবং সরকারের দায়িত্ব রয়েছে। বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সাভার আশুলিয়া কিংবা অন্য কোনো সুবিধাজনক এলাকায় শ্রমজীবী, কর্মজীবী মানুষের আত্মত্যাগের সম্মানে একটি বিশেষ স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করছে।’

বুধবার বেলা তিনটায় আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকার দারুল ইহসান মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির এ জনসভা শুরু হয়। সভার শুরুতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণ–অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের উপস্থিত পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন।

সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব, এমন কিছু করবেন না, যাতে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়। ছোটখাটো বিষয়গুলো নিয়ে এমন অবস্থা তৈরি করবেন না, যে অবস্থায় আবার সেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা কোনো সুযোগ পায় দেশে ফিরে আসার।’

গণ–অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা ও আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আহত ও শহীদ, বিশেষ করে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দেবে। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করবে। কিন্তু সেটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা হয়েছে, সেটি আমি জানি না।’

ক্ষমতায় চিরদিন টিকে থাকার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্বরোচিতভাবে গুলি করে মানুষ হত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। গোটা জাতি শেখ হাসিনার বিচার চায় বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং সেখান থেকে অডিও–ভিডিও ভার্সনে এ দেশে আবার নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য, বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। গোপালগঞ্জে ইতিমধ্যে তাঁরা (আওয়ামী লীগ) সেটি তৈরিও করেছে। জাতিকে রক্ষা করার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি), চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহপরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলা বিএনপির সহসভাপতি খন্দকার শাহ মইনুল হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান, সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান মোহনসহ সাভার ও ধামরাই উপজেলা এবং এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

ক্ষেতলালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
ক্ষেতলালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি র‌্যালি বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক সাজ্জাদ পারভেজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা চৌধুরী। এস এম মশিউর রহমান তুহিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ওসি (তদন্ত) এস এম কামাল হোসাইন, অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষক আজিজার রহমান, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও হোসনে আরা। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পাঁচজন অদম্য নারীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা।

জয়পুরহাটে যাত্রীকে বেধড়ক পেটালেন রেলের বুকিং সহকারী

মামুনুর রশীদ পান্না, অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
জয়পুরহাটে যাত্রীকে বেধড়ক পেটালেন রেলের বুকিং সহকারী

জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশনে আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ নামে এক যাত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে হেড বুকিং সহকারী মনিরুল করিম মুনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহা ব্যবস্থাপকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই যাত্রী। আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ জয়পুরহাট জেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক পাবনা যাওয়ার জন্য দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কাটতে জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টারে যান। সেখানে তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে দুইশো টাকা দেন। কাউন্টার থেকে তাকে খুচরা টাকা দিতে বলা হয়। কিন্তু আব্দুর রাজ্জাক খুচরা টাকা দিতে পারেননি। তখন হেড বুকিং সহকারী মনিরুল করিম ওই যাত্রী খুচরা টাকা আনার তাগিদ দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মনিরুল করিম কাউন্টার থেকে বাহিরে এসে যাত্রী আব্দুর রাজ্জাককে ধাক্কা মারেন এরপর দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এরপর মনিরুল করিম ওই যাত্রীকে টেনে-হেচড়ে স্টেশন মাস্টারের রুমে পরে কাউন্টার কক্ষের ভেতরে নিয়ে বিভিন্নভাবে কিল, ঘুষি মেরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এতে ওই যাত্রীর শার্ট ছিঁড়ে গেলে রেলওয়ের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে স্টেশন মাস্টারের রুমে নিয়ে আসেন। সেখানে মনিরুল করিম মুন ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান।

যাত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, স্টেশনে টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে স্টেশনের হেড বুকিং সহকারী মনিরুল করিম মুন আমাকে বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তারা এক লাইনে টিকিট না দিয়ে এক লাইন থেকে আরেক লাইনে ঘুরাঘুরি করাচ্ছিল। কাউন্টারের ভেতর থেকে এসে আমাকে টেনে অফিসের ঘরে নিয়ে গিয়ে বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন। শার্টও ছিড়ে গেছে। পরে সাংবাদিকরা আসলে তিনি ভুল করেছেন বলে ক্ষমা চান। সে স্থানীয় হওয়ায় দাম্ভিকতার সাথে ক্ষমতায় দেখায় যে, সে মানুষকে মানুষই মনে করেনা। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

ইদগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হলেন আশরাফুল হক আদনান।

অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
ইদগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হলেন আশরাফুল হক আদনান।

 

কক্সবাজারের ঈদগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ছাত্রনেতা আশরাফুল হক আদনান। সম্প্রতি উপজেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ পদে আশরাফুল হক আদনানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন দায়িত্ব পেয়ে আশরাফুল হক আদনান সংগঠনের প্রতি তাঁর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, “ছাত্রদলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি অনুগত থেকে ঈদগড় ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত করবো।”

দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদককে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।