খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

‘বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ৯:১০ অপরাহ্ণ
‘বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না’

জনগণের বিরুদ্ধে যদি কোনো রাজনৈতিক দল অবস্থান নেয়, সেই দল অটোমেটিক বিলুপ্ত হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভুল রাজনীতি করেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, লুটপাট করেছে। জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগ বিলুপ্তির পথে চলে যাবে। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না।

শুক্রবার (৪ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত ‘সারাদেশের বিভিন্ন স্তরে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ দ্রুত সৃষ্টি করার দাবিতে’ প্রতীকী তারুণ্য সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, এটা নিষিদ্ধ করা না করার বিষয় নয়। তাদের ভুলের রাজনীতির কারণে বাংলাদেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সমর্থন করবে না। আওয়ামী লীগের রাজনীতি বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমরা বিজয় লাভ করেছিলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। যে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিল ১৭ বছর আগেই। এই বিজয়ের মধ্যে আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো ছিল মানুষ শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাবে। এমপি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি যারা হবেন, তারা যেন নিজেদেরকে মোগল সম্রাট হিসেবে না ভাবেন- সেই ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটবে। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিসহ সরকারি কর্মকর্তারা জবাবদিহিতার আওতায় আসবেন। সমস্ত কিছুর মধ্যে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকবে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে এবং সরকার জবাবদিহিতার মধ্যে থাকবে। রাষ্ট্র যখন গণতান্ত্রিক হয়, সরকার তখন জবাবদিহি করতে বাধ্য হয়।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কিছুদিন আগে একটা আন্দোলন হলো। সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তারা বললেন, তাদেরকে নাকি চাকরি থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কেন যাবে না? তিনি ঘুষ খাবেন, দুর্নীতি করবেন, ১৪ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী ঢাকা শহরে দুইটা বাড়ি বানিয়ে ফেলবেন, বিদেশে ছেলে-মেয়েকে পড়াবেন। এই ঘটনায় একজন মন্ত্রী হলে বলে রাজনীতিবিদরা চোর। আপনি যে মহাচোর, সেই কথাটা আপনাকে বলা যাবে না কেন? এই যে আপনারা অনেকেই মহাচোর, এই ব্যবস্থাটিকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এই যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনটি হয়েছে, এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা সংস্কার চাই। এই মহাচোরদের আমাদেরকে আটকাতে হবে। কিভাবে আটকাবেন? বাংলাদেশে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। আমার দলও অনেক সময় বলে না, ২০০৯ সালেও মহা ডিজাইন করে একটি নির্বাচন হয়েছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার পুনর্বাসিত করার জন্য। ২০০৮-০৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরিকল্পনা করে হয়েছিল, বাংলাদেশটা যেন ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়ে যায়। ভারতের কর্তৃত্ববাদ যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই উদ্দেশ্যে ১/১১ সৃষ্টি হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য ২০০৮-০৯ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল, তার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার অবৈধ শাসন পাকাপোক্ত হয়েছে দীর্ঘ বছরের পর বছর। আজকে সেই অবস্থার বিলুপ্তি ঘটেছে।

রিপন বলেন, বাংলাদেশের ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে যে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনে আমলাতন্ত্র- ডিসি, এসপি, ইউএনওরা দিনের ভোট রাতে করতে সহায়তা করেছে, এখনো তারা প্রশাসনের বিভিন্ন বড় বড় পদে বসে আছে। তারা অনেকেই প্রমোশনের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। আগে তাদের আচরণের জবাবদিহি করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের যেসব লোক ঘাপটি মেরে আছে, বিগত তিনটি নির্বাচনে যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে শেখ হাসিনাকে সাহায্য করেছে, তাদেরকে চাকরি থেকে বিতাড়িত করতে হবে এবং আইনের আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের বহু লোক আছে, বেকার যুবক রয়েছে, চাকরির লোকের কোনো সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগপন্থি লোকগুলোকে প্রশাসন এবং সচিবালয় থেকে বিদায় করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু, রহিমা শিকদার প্রমুখ।

জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক ডিসি আব্দুল বারীর পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ শেষে বিকেলে ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সকাল ৯টা থেকেই আব্দুল বারী বড়াইল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যান এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এসময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। ​বিকেল ৪টায় ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী বলেন, “দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে আপনারা দুঃশাসনের জবাব দেবে।

​ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা যুদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি ​ওবায়দুর রহমান সুইট, ​পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম, ​সাধারণ সম্পাদক নাফেউল হাদী মিঠু, যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান, ​সাবেক ছাত্রনেতা রানা তালুকদার সহ স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এসময় ​বক্তারা বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে জনতা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জনরায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিজিটাল যোগাযোগের নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল। ‘জনগণের সেবা উন্নয়নের পথে’ প্রতিপাদ্যে তিনি চালু করেছেন নিজস্ব ওয়েবসাইট **www.kazalbnp.com**। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং মতামত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজার শহরের নিরিবিলি অর্কিডের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করে কক্সবাজার-৩ আসনের ভোটারসহ যে কেউ লুৎফুর রহমান কাজলকে সরাসরি পরামর্শ দিতে পারবেন। এজন্য আলাদা একটি সেকশন রাখা হয়েছে, যেখানে উন্নয়ন পরিকল্পনা, নাগরিক সমস্যা কিংবা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া যাবে। প্রার্থী হিসেবে জনগণের কথা শোনা এবং সেই মতামতকে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন কাজল।

ওয়েবসাইটে আরও রয়েছে লুৎফুর রহমান কাজলের বিস্তারিত জীবনী, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সংসদ সদস্য থাকাকালীন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তথ্য এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত বিবরণ। এতে করে ভোটাররা একজন প্রার্থী হিসেবে তাঁর অতীত ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “রাজনীতি মানে শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাওয়া নয়। রাজনীতি মানে জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সংযোগ রাখা। এই ওয়েবসাইট সেই যোগাযোগের একটি মাধ্যম। মানুষ এখানে তাদের কথা বলবে, সমস্যা জানাবে, পরামর্শ দেবে—আমরা সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।” তিনি আরও বলেন, আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনীতিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

বিএনপির স্থানীয় নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এবারই প্রথম কোনো প্রার্থী নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন। এতে করে তরুণ ভোটার ও প্রবাসী ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে বলে তারা আশা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল নিজেকে অন্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করে উপস্থাপন করছেন। এটি শুধু নির্বাচনী প্রচার নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, লুৎফুর রহমান কাজল ২০০৮ সালে কক্সবাজার-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি সড়ক, শিক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেন তাঁর সমর্থকরা। আসন্ন নির্বাচনে আবারও তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সব মিলিয়ে, নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল কক্সবাজার-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতামত গ্রহণ এবং উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরার এই উদ্যোগ নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে।

ক্ষেতলালে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
ক্ষেতলালে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

 

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মামুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৮ জানুয়ারী) বাদ জোহর মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে সন্যাসতলী মেলা প্রাঙ্গনে অদূরে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জয়পুরহাট রেলগেট জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা রুহুল আমিন। মোনাজাত শেষে উপস্থিত নারী-পুরুষ মুসল্লীদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়েছে।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী আসিক পার্থ, ক্ষেতলাল পৌর বিএনপির সভাপতি প্রভাষক আব্দুল আলিম, সাধারণ সম্পাদক নাফেউল হাদী মিঠু। মামুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নুরুন্নবী, তুলশীগঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়ারেছুল মজিদ কদর, বড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজ্জাকুল হায়দার, সাধারণ সম্পাদক হান্নান মন্ডলসহ মামুদপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও ওয়ার্ড পর্যায়ের অঙ্গসংগঠনের নেতবৃন্দ।