খুঁজুন
বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন, ১৪৩২

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ ঘিরে হামলা-সংঘর্ষে নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ ঘিরে হামলা-সংঘর্ষে নিহত ৩

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা–সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল ও পরিবার সূত্র প্রথম আলোকে এ কথা জানিয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮) ও টুঙ্গীপাড়ার সোহেল মোল্লা (৪১)।

আজ বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, বিকেলে তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁরা গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

প্রথম আলো স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিহত দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হয়। পরে রাত সাড়ে সাতটার দিকে অপরজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয় প্রথম আলো।

হাসপাতালের কর্মকর্তা জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, আরও ৯ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের অস্ত্রোপচার চলছে।

মৃত্যুর তথ্য জানতে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ধরেননি।

তথ্য জানতে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মুহম্মদ কামরুজ্জামান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. গোলাম কবিরকে কল দিলে তাঁরা কথা বলতে রাজি হননি।

নিহত দীপ্ত সাহার চাচা হাসপাতালে প্রথম আলোকে বলেন, দীপ্ত দুপুরের খাবার খেয়ে তাঁর দোকানে যাচ্ছিলেন। শহরের চৌরঙ্গীতে তাঁর পেটে গুলি লাগে।

নিহত রমজান কাজীর বাবা কামরুল কাজী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ছেলেটাকে মেরে ফেলছে। আমার ছেলে তো কোনো দোষ করেনি। আমি আমার সন্তানকে কোথায় পাব?’

নিহত সোহেল মোল্লা গোপালগঞ্জ শহরের চৌরঙ্গী এলাকার কেরামত আলী প্লাজায় মোবাইল ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেছেন একই মার্কেটের দোকানদার জনি খান।

এর আগে গোপালগঞ্জের পৌর পার্কে এনসিপির সমাবেশ শেষে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ঘিরে হামলা চালান। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এনসিপির নেতা-কর্মীরা অন্যদিক দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

হামলার ঘটনার পর এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন। এ সময় পুলিশ-সেনাবাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের (এনসিপি) বলা হয়েছিল, সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু তাঁরা সমাবেশস্থলে এসে দেখেন, পরিস্থিতি ঠিক নেই।

এর আগে বেলা পৌনে ২টার দিকে সমাবেশ শুরুর আগে ২০০ থেকে ৩০০ লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে এনসিপির সমাবেশস্থলে যান। সে সময় মঞ্চের আশপাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে দ্রুত আদালত চত্বরে ঢুকে পড়েন। একই সময়ে মঞ্চে ও মঞ্চের সামনে থাকা এনসিপির নেতা-কর্মীরাও দৌড়ে সরে যান। যাঁরা হামলা চালান, তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে এনসিপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছিলেন। ওই সময় হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন।

একপর্যায়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যান। এনসিপির নেতা-কর্মী ও পুলিশ এক হয়ে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। বেলা ২টা ৫ মিনিটে সমাবেশস্থলে পৌঁছান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। সেখানে সমাবেশ করে এনসিপি। সমাবেশ শেষে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ঘিরে হামলার ঘটনা ঘটে।

এর আগে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে আগুন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের সদর উপজেলার কংশুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, গাড়ি পোড়ানোর সময় সেখানে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের গোপালগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. পিয়ালকে লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। অন্য আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা পিয়াল ভাইয়ের সাথে আছি।’

ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী খোকন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী খোকন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের, এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মাঝে চলছে জোর প্রচারণা। তারই ধারাবাহিকতায় ইউপি সদস্য পদে সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী হাওয়ার ঘোষণা দেন তরুণ ছাত্র ও যুবনেতা শহিদুল ইসলাম খোকন।

তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উওর হারবাং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তরুণরা ও সোশ্যাল মিডিয়া তাহার ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং মোটামুটি ভোটা’ও আছে,স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান, নির্বাচন ঘিরে তাদের প্রত্যাশা ও অনুভূতি আকাশছোঁয়া। সময় এখন বাংলাদেশের। সময় এখন তারুণ্যের। এই সময় শুধু নয়, ভবিষ্যতের সময়ও তারুণ্যের। ভবিষ্যতের বাংলাদেশও তরুণদের জন্যই। আর তারুণ্যের উপযোগী বর্তমান বিনির্মাণ করা গেলেই কেবল- ভবিষ্যত হবে বাংলাদেশের। তাই উত্তর হারবাং ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে তরুণ প্রার্থীকেই দেখতে চায়।

শহিদুল ইসলাম খোকন বলেন, আমি এলাকার জনগণের সুখে দুঃখে কাজ করে যাব এবং উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করবো। দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাসসহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ওয়ার্ডের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলার চেষ্টা করবো।

জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক ডিসি আব্দুল বারীর পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ শেষে বিকেলে ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সকাল ৯টা থেকেই আব্দুল বারী বড়াইল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যান এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এসময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। ​বিকেল ৪টায় ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী বলেন, “দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে আপনারা দুঃশাসনের জবাব দেবে।

​ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা যুদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি ​ওবায়দুর রহমান সুইট, ​পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম, ​সাধারণ সম্পাদক নাফেউল হাদী মিঠু, যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান, ​সাবেক ছাত্রনেতা রানা তালুকদার সহ স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এসময় ​বক্তারা বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে জনতা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জনরায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিজিটাল যোগাযোগের নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল। ‘জনগণের সেবা উন্নয়নের পথে’ প্রতিপাদ্যে তিনি চালু করেছেন নিজস্ব ওয়েবসাইট **www.kazalbnp.com**। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং মতামত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজার শহরের নিরিবিলি অর্কিডের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করে কক্সবাজার-৩ আসনের ভোটারসহ যে কেউ লুৎফুর রহমান কাজলকে সরাসরি পরামর্শ দিতে পারবেন। এজন্য আলাদা একটি সেকশন রাখা হয়েছে, যেখানে উন্নয়ন পরিকল্পনা, নাগরিক সমস্যা কিংবা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া যাবে। প্রার্থী হিসেবে জনগণের কথা শোনা এবং সেই মতামতকে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন কাজল।

ওয়েবসাইটে আরও রয়েছে লুৎফুর রহমান কাজলের বিস্তারিত জীবনী, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সংসদ সদস্য থাকাকালীন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তথ্য এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত বিবরণ। এতে করে ভোটাররা একজন প্রার্থী হিসেবে তাঁর অতীত ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “রাজনীতি মানে শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাওয়া নয়। রাজনীতি মানে জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সংযোগ রাখা। এই ওয়েবসাইট সেই যোগাযোগের একটি মাধ্যম। মানুষ এখানে তাদের কথা বলবে, সমস্যা জানাবে, পরামর্শ দেবে—আমরা সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।” তিনি আরও বলেন, আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনীতিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

বিএনপির স্থানীয় নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এবারই প্রথম কোনো প্রার্থী নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন। এতে করে তরুণ ভোটার ও প্রবাসী ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে বলে তারা আশা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল নিজেকে অন্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করে উপস্থাপন করছেন। এটি শুধু নির্বাচনী প্রচার নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, লুৎফুর রহমান কাজল ২০০৮ সালে কক্সবাজার-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি সড়ক, শিক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেন তাঁর সমর্থকরা। আসন্ন নির্বাচনে আবারও তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সব মিলিয়ে, নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল কক্সবাজার-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতামত গ্রহণ এবং উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরার এই উদ্যোগ নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে।