খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

এখনই রাজনীতিতে আসছেন না ডা. জোবাইদা রহমান

এখনই রাজনীতিতে আসছেন না ডা. জোবাইদা রহমান

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
এখনই রাজনীতিতে আসছেন না ডা. জোবাইদা রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ১৭ বছর পর গত ৬ মে দেশে এসেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। ওইদিন খালেদা জিয়াকে দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে স্বাগত জানায়। পাশাপাশি জোবাইদা রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-পোস্টারও প্রদর্শন করা হয়। এরপর জোবাইদাকে তার নিজ এলাকায় সিলেট-১ আসনে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে চেয়ে ব্যানার-পোস্টার সাঁটানো হয়। তারপর থেকে তার রাজনীতিতে আসা নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা। 

তবে, বিএনপি সূত্রগুলো বলছে—এখনই রাজনীতিতে আসবেন না জোবাইদা রহমান।

বিএনপি নেতারা বলছেন, সারাদেশের বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ডা. জোবাইদা রহমান রাজনীতিতে আসুক। তাদের সেই প্রত্যাশা থেকে ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার-ফেস্টুন এবং পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনিও রাজনীতিতে আসার কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। এছাড়া দলের মধ্যেও তাকে রাজনীতিতে নিয়ে আসার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। তাই এটা বলা যায় যে, দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক পরিবারের মধ্যে বসবাস করলেও সহসাই সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না তিনি।

দলটির নেতারা আরও বলছেন, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক ও মানসিক অবস্থা ভালো থাকলেও তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে শক্ত অবস্থানে রয়েছে দল। শুরুতে তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে কিছুটা ‘অস্বস্তি’ থাকলেও নেতৃত্বের গুণে এখন তিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। আর তারেক রহমানও চায় না এই মুহূর্তে জোবাইদা রহমান রাজনীতিতে আসুক।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের নেতা কর্মীদের প্রত্যাশা ডা. জোবাইদা রহমান রাজনীতিতে নামুক। তারই প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় তার নামে এবং তাকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়ে ব্যানার-পোস্টার করা হয়েছে। কিন্তু এটা তার রাজনীতিতে আসার কোনো ঘোষণা নয়। ডা. জোবাইদা রহমান নিজেও রাজনীতিতে আসার কোনো ঘোষণা দেননি।’

তিনি আরও বলেন, “আমরাও আনুষ্ঠানিকভাবে তার রাজনীতিতে আসার ইচ্ছার বিষয়টি জানি না। এটা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে কোনো আলোচনা হয়নি।”

জোবাইদা রহমানের রাজনীতিতে আসার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ‘আমরা বিএনপি পরিবারে’র আহ্বায়ক আতিকুর রহমান বলেন, এখনই তিনি রাজনীতিতে আসছেন না। তবে, এটাও মনে রাখতে হবে দেশের প্রয়োজনে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে এসেছিলেন।’

“দল কখনও প্রয়োজন মনে করলে জোবাইদা রহমান তখন রাজনীতিতে আসবেন কিনা, সেটা তখন সিদ্ধান্ত হবে”—যোগ করেন আতিকুর রহমান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, “দলের পুরো হাল এখন তারেক রহমানের হাতে। বিগত বছরগুলোতে দলের সর্বস্তরে তার সরাসরি নির্দেশনা কাজে লেগেছে। ম্যাডাম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি তারেক রহমানই এখন বিএনপির ঐক্যের প্রতীক। সুতরাং এখানে অন্য কেউ গুরুত্বপূর্ণ নয়।”

স্থায়ী কমিটির এই নেতা আরও বলেন, “জোবাইদা রহমান দেশে আসার পর অনেকে নেতাকর্মী তার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে কেউ-কেউ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থের উদ্দেশ্যে দেখা-সাক্ষাৎ করছেন। এই কারণে হয়ত জোবাইদা রহমানের রাজনীতিতে আসার বিষয়টি সামনে এসেছে। কিন্তু আমি যতটুকু জানি, তার কিংবা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কারও ইচ্ছা নেই, তাকে এই মুহূর্তে রাজনীতিতে নিয়ে আসার।”

তবে, বিএনপির কেউ-কেউ মনে করেন, বিশিষ্ট চিকিৎসক হিসেবে ডা. জোবাইদা রহমান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেক্টরের দায়িত্ব নিলে এটা দেশের জন্য এবং সরকার হিসেবে বিএনপির জন্য খুব ভালো হবে। কিন্তু আগামী দিনে জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। সেখানে হয়ত ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ হতে পারে। সেই বিবেচনায় হয়ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই জোবাইদা রহমানকে সেই দায়িত্ব দেবেন না। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের (মে মাস) শেষের দিকে লন্ডন ফিরে যেতে পারেন ডা. জোবাইদা রহমান

ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী খোকন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী খোকন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের, এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মাঝে চলছে জোর প্রচারণা। তারই ধারাবাহিকতায় ইউপি সদস্য পদে সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী হাওয়ার ঘোষণা দেন তরুণ ছাত্র ও যুবনেতা শহিদুল ইসলাম খোকন।

তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উওর হারবাং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তরুণরা ও সোশ্যাল মিডিয়া তাহার ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং মোটামুটি ভোটা’ও আছে,স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান, নির্বাচন ঘিরে তাদের প্রত্যাশা ও অনুভূতি আকাশছোঁয়া। সময় এখন বাংলাদেশের। সময় এখন তারুণ্যের। এই সময় শুধু নয়, ভবিষ্যতের সময়ও তারুণ্যের। ভবিষ্যতের বাংলাদেশও তরুণদের জন্যই। আর তারুণ্যের উপযোগী বর্তমান বিনির্মাণ করা গেলেই কেবল- ভবিষ্যত হবে বাংলাদেশের। তাই উত্তর হারবাং ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে তরুণ প্রার্থীকেই দেখতে চায়।

শহিদুল ইসলাম খোকন বলেন, আমি এলাকার জনগণের সুখে দুঃখে কাজ করে যাব এবং উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করবো। দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাসসহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ওয়ার্ডের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলার চেষ্টা করবো।

জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে আব্দুল বারীর জনসভা ও গণসংযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক ডিসি আব্দুল বারীর পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ শেষে বিকেলে ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সকাল ৯টা থেকেই আব্দুল বারী বড়াইল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যান এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এসময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। ​বিকেল ৪টায় ক্ষেতলাল পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী বলেন, “দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে আপনারা দুঃশাসনের জবাব দেবে।

​ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা যুদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি ​ওবায়দুর রহমান সুইট, ​পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম, ​সাধারণ সম্পাদক নাফেউল হাদী মিঠু, যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান, ​সাবেক ছাত্রনেতা রানা তালুকদার সহ স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এসময় ​বক্তারা বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে জনতা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জনরায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার-৩ আসনে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিজিটাল যোগাযোগের নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল। ‘জনগণের সেবা উন্নয়নের পথে’ প্রতিপাদ্যে তিনি চালু করেছেন নিজস্ব ওয়েবসাইট **www.kazalbnp.com**। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং মতামত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজার শহরের নিরিবিলি অর্কিডের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করে কক্সবাজার-৩ আসনের ভোটারসহ যে কেউ লুৎফুর রহমান কাজলকে সরাসরি পরামর্শ দিতে পারবেন। এজন্য আলাদা একটি সেকশন রাখা হয়েছে, যেখানে উন্নয়ন পরিকল্পনা, নাগরিক সমস্যা কিংবা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া যাবে। প্রার্থী হিসেবে জনগণের কথা শোনা এবং সেই মতামতকে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন কাজল।

ওয়েবসাইটে আরও রয়েছে লুৎফুর রহমান কাজলের বিস্তারিত জীবনী, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সংসদ সদস্য থাকাকালীন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তথ্য এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁর অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত বিবরণ। এতে করে ভোটাররা একজন প্রার্থী হিসেবে তাঁর অতীত ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “রাজনীতি মানে শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাওয়া নয়। রাজনীতি মানে জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সংযোগ রাখা। এই ওয়েবসাইট সেই যোগাযোগের একটি মাধ্যম। মানুষ এখানে তাদের কথা বলবে, সমস্যা জানাবে, পরামর্শ দেবে—আমরা সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।” তিনি আরও বলেন, আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনীতিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

বিএনপির স্থানীয় নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এবারই প্রথম কোনো প্রার্থী নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করলেন। এতে করে তরুণ ভোটার ও প্রবাসী ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে বলে তারা আশা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল নিজেকে অন্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করে উপস্থাপন করছেন। এটি শুধু নির্বাচনী প্রচার নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, লুৎফুর রহমান কাজল ২০০৮ সালে কক্সবাজার-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি সড়ক, শিক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেন তাঁর সমর্থকরা। আসন্ন নির্বাচনে আবারও তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সব মিলিয়ে, নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে লুৎফুর রহমান কাজল কক্সবাজার-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতামত গ্রহণ এবং উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরার এই উদ্যোগ নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন সময়ই বলে দেবে।